জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর (অতি জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর (অতি গুরুত্বপূর্ণ) class 10 Bengali গুরুত্বপূর্ণ) | class 10 Bengali question answer
আশাপূর্ণা দেবী
জ্ঞানচক্ষু
জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর (অতি গুরুত্বপূর্ণ) | class 10 Bengali question answer
আশাপূর্ণা দেবী
জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর (অতি গুরুত্বপূর্ণ) | class 10 Bengali question answer
আশাপূর্ণা দেবী
জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর (অতি গুরুত্বপূর্ণ) | class 10 Bengali question answer :
জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর (অতি গুরুত্বপূর্ণ) | class 10 Bengali question answer - মাধ্যমিক বাংলা প্রশ্ন উত্তর
জ্ঞানচক্ষু গল্পের সাজেশন 2024
সূচিপত্র - index
জ্ঞানচক্ষু গল্পের সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর মান 2
জ্ঞানচক্ষু গল্পের রচনাধর্মী প্রশ্ন উত্তর মান 5
জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর MCQ.
A শুকতারা
B আনন্দলোক
C সন্ধ্যাতারা
D দেশ
উত্তর C সন্ধ্যাতারা
2. কোন পত্রিকায় তপনের মেসোমশাই লেখা ছাপানোর কথা বলেছিলেন?
A ধ্রুবতারা
B শুকতারা
C সন্ধ্যা তারা
D রংমশাল
উত্তর C সন্ধ্যাতারা
3. পৃথিবীতে এমন অলৌকিক ঘটনাও ঘটে? - অলৌকিক ঘটনাটি হল---
A এক লেখকের সঙ্গে তপনের ছোটমাসির বিয়ে হয়েছে
B বাড়িতে তপনের নাম হয়ে গেছে কবি, সাহিত্যিক, কথাশিল্পী
C তপনের লেখা গল্প সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপা হয়েছে
D তপন দেখল ছাপানো গল্পের একটি লাইনও তার নিজের নয়.
উত্তর: C তপনের লেখা গল্প সন্ধ্যা তারা পত্রিকায় ছাপা হয়েছে।
4. নতুন নতুন অমন হয়। নতুন নতুন এমন কি হয়?
A আনন্দ
B কারেকশান
C ভুল
D লেখা
উত্তর C ভুল
5. তপনের মেসোমশায় পেশাগত দিক থেকে কি ছিলেন?
A অধ্যাপক
B অভিনেতা
C লেখক
D চিত্রপরিচালক
উত্তর A অধ্যাপক
6. তপনের নতুন মেসোমশাই ছিলেন একজন---
A লেখক
B অভিনেতা
C অধ্যাপক
D সম্পাদক
উত্তর A লেখক
7.জ্ঞানচক্ষু গল্পের রচয়িতা কে?
A. আশাপূর্ণা দেবী
B মহাশ্বেতা দেবী
C অলক রঞ্জন দাস গুপ্ত
D সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
উত্তর A আশাপূর্ণা দেবী
8.সূচিপত্রেও যে নামটি রয়েছে নামটি হল---
A শ্রী তপন কুমার চট্টোপাধ্যায়
B শ্রী তপন কুমার দেব
C শ্রী তপন কুমার রায়
D শ্রী তপন কুমার দাস।
উত্তর C শ্রী তপন কুমার রায
9. তপনের লেখা গল্পের নাম ছিল ---
A 'স্কুলের প্রথম দিন'
B 'শেষ রাত
C 'প্রথম দিন'
D 'শেষ দিন'
উত্তর: C প্রথম দিন'
10. "বুকে রক্ত ছলকে ওঠে তপনে"- তপনের বুকে রক্ত ছলকে ওঠে কেন---
A নতুন মেসোকে দেখে
B তার গল্প ছাপা হয়েছে দেখে
C নিজের নাম ছাপার অক্ষরে দেখে
D মেসোর হাতে 'সন্ধ্যাতারা' পত্রিকা দেখে
উত্তর: D মেসোর হাতে 'সন্ধ্যাতারা' পত্রিকা দেখে।
11. এদেশের কিছু হবে না'- কথাটি কে বলেছিলেন?
A তপন
B ছোট মেসো
C তপনের কাকা
D তপনের মাসি
উত্তর: B ছোট মেসো
12. আমাদের থাকলে আমরাও চেষ্টা করে দেখতাম উক্তিটি ---
A তপনের মামার
B তপনের বাবার
C তপনের মেজো কাকুর
D তপনের ছোট কাকুর
উত্তর: C তপনের মেজ কাকুর
13. শুধু এতটাই জানা ছিল না' -অজানা বিষয়টি হলো
A মেসো একজন লেখক
B মানুষ-ই গল্প লেখে
C তার গল্প ছাপা হবে
D সে গল্প লিখতে পারে
উত্তর:B মানুষ ই গল্প লেখে
14. তা ওরকম একটি লেখক মেসো থাকা মন্দ নয়।" কথাটি বলেছিলেন---
A তপনের বাবা
B তপনের মামা
C তপনের মেজ কাকু
D তপনের ছোট কাকু
উত্তর: C তপনের মেজ কাকু।
15. 'বাবা, তোর পেটে পেটে এত '-এ কথা বলেছিলেন' -
A তপনের বাবা
B তপনের মা
C তপনের মেজ কাকু
D তপনের ছোট মাসি
উত্তর: B তপনের মা
16.তপনের সম্পূর্ণ নাম কি ছিল ?
A তপন কুমার সেন
B শ্রী তপন কুমার বিশ্বাস
C তপন কুমার পাল
D শ্রী তপন কুমার রায়
উত্তর: D শ্রী তপন কুমার রায়
17. তপনের মেসোমশাই পেশাগত দিক থেকে ছিলেন ---
A সম্পাদক
B শিক্ষাবিদ
C লেখক
D অধ্যাপক
উত্তর: D অধ্যাপক
18. তপনের মেসোমশাই কোন পত্রিকার সম্পাদকে চিনতেন ?
A 'আনন্দমেলা'
B 'সন্ধ্যাতারা'
C 'আনন্দবাজার'
D 'শুকতারা'
উত্তর: B 'সন্ধ্যাতারা'
19. তপনের মেসোমশাই কোন পত্রিকায় তপনের লেখা ছাপানোর কথা বলেছিলেন?
A ধ্রুবতারা
B রং মশাল
C আনন্দমেলা
D সন্ধ্যাতারা
উত্তর: D সন্ধ্যাতারা
20. পৃথিবীতে এমন অলৌকিক ঘটনা ঘটে? -অলৌকিক ঘটনাটি হল ---
A এক লেখকের সঙ্গে তপনের ছোট মাসির বিয়ে হয়েছে
B বাড়িতে তপনের নাম হয়ে গেছে কবি, সাহিত্যিক, কথাশিল্পী
C তপনে লেখা গল্প 'সন্ধ্যাতারা' পত্রিকায় ছাপা হয়েছে
D তপন দেখল ছাপানো গল্পের কি লাইনে তার নিজের নয়
উত্তর: C তপনের লেখা গল্প 'সন্ধ্যাতারা' পত্রিকায় ছাপা হয়েছে।
21. নিজের গল্প পড়ে তপনের যা হয়েছিল---
A আনন্দে আপ্লুত হয়েছিল
B গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠেছিল
C চোখে জল এসে গিয়েছিল
D চোখ বুঝে গিয়েছিল
উত্তর: B গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠেছিল
22. চায়ের টেবিলে তপনের গল্প নিয়ে কথা ওঠে ---
A সকালে
B বিকেলে
C সন্ধ্যায়
D রাতে
উত্তর: B বিকেলে
23. নতুন নতুন অমন হয় - নতুন নতুন কি হয়? ---
A ভুল
B কারেকশন
C আল্লাহট
D আনন্দ
উত্তর: A ভুল
24. তপন প্রথমটা ভাবে ঠাট্টা, কিন্তু যখন দেখে মেসোর মুখে করুণার ছাপ, তখন আহ্লাদে ------ হয়ে যায় ---
A আনন্দিত
B দুঃখিত
C কাঁদো কাঁদো
D বিহল
উত্তর: C কাঁদো কাঁদো
25. বিকেলে চায়ের টেবিলে তপনের গল্প সঙ্গে থাকে, ---
A ডিম ভাজা ও চা
B ডিম ভাজা ও কফি
C তেলেভাজা
D পিজ্জা ও কফি
উত্তর: A ডিম ভাজা ও চা
26. 'না -না' আমি বলছি, কে বলেছেন?
A ফরিদা
B সব্যসাচী
C মেসোমশাই
D মাসিমা
উত্তর: C মেশোমশাই
27. তপনের ছোট মাসি তপনের, ---
A বন্ধু
B ছোটবেলার বন্ধু
C কিছুদিনের বন্ধু
D চিরকালের বন্ধু
উত্তর: D চিরকালের বন্ধু
28. সূচিপত্রেও নাম রয়েছে' - নামটি হল ---
A শ্রী তপন কুমার ঘোষ
B শ্রী তপন কুমার রায়
C শ্রী তপন কুমার দাস
D শ্রী তপন কুমার পাল
উত্তর: B শ্রী তপন কুমার রায়
29. মেসোর উপযুক্ত কাজ হবে সেটা' - বক্তা হলেন ' ---
A তপনের মেজ কাকু
B তপনের মা
C তপনের মাসি
D কেউ নয়
উত্তর: C তপনের মাসি।
30. তপনের থেকে আট (৮) মাসের বড় হলেন---
A তপনের মা
B তপনের মাসি
C তপনের দাদু
D তপনের বাবা
উত্তর: B তপনের মাসি
31. যেন নেশায় পেয়েছে'- যাকে নেশায় পেয়েছে, সে হলো---
A বাবা
B ছোট মেসো
C তপন
D ছোটমামা
উত্তর: C তপন
32. মামার বাড়ি এলে তপনের সবকিছুই---
A দিদার কাছে
B দাদুর কাছে
C ছোট মামার কাছে na
D ছোট মাসির কাছে
উত্তর: D ছোট মাসির কাছে
33. ওমা, এ তো বেশ লিখেছিস রে এখানে বক্তা,
A তপনের ছোট দিদা
B তপনের ছোট মাসি
C তপনের ছোটমামা
D তপনের মেজ কাকু,
উত্তর: B তপনের ছোট মাসি
34. তপন বিহবল দৃষ্টিতে তাকায় তপনের দৃষ্টিতে যা ছিল তা হল---
A হাসি
B কষ্ট
C অবিশ্বাস
D দুঃখ
উত্তর: C অবিশ্বাস
জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর 2023
জ্ঞানচক্ষু গল্পের শূন্যস্থান পূরণ কর।
1• তপনের ________ মাসির বিয়ে উপলক্ষে তখন মামার বাড়ি গিয়েছিল।
উত্তর: ছোটো
2• কথাটা শুনে তপনের চোখ ______ হয়ে গেল।
উত্তর: মার্বেল
3• নতুন মেসোকে দেখে তপনে ______ খুলে গেল।
উত্তর: জ্ঞানচক্ষু
4• তপন মূলত _______ উপলক্ষে মামার বাড়ি এসেছে।
উত্তর: বিয়ে বাড়ি
5• তপনের _______ প্রফেসর ছিলেন।
উত্তর: ছোট মেসোমশাই
6• তখন ________আহ্লাদে কাঁদো কাঁদো হয়ে যায়।
উত্তর: তপন
7• মেসোমশাই চলে গেলে _______ বসে বসে দিন গুনে।
উত্তর: তপন
8• ছোট মাসি তপনের থেকে_______বছরের বড় ছিল।
উত্তর: আট
9• তপন গল্প লিখে প্রথমে _______ কে জানিয়েছিল।
উত্তর: ছোট মাসি
10• তপনের লেখা গল্প ________ পত্রিকায় ছাপানো হয়েছে।
উত্তর: সন্ধ্যাতারা
11• তপনের বাড়িতে বেড়াতে এসে ছোট মাসি খায় _________।
উত্তর: ডিম ভাজা আর চা
12• তপন আস্তে আস্তে তিন তলা সিঁড়িতে উঠে গেল ________ হাতে নিয়ে।
উত্তর: খাতা-কলম
13• তপনের লেখা গল্পের নাম ছিল ________।
উত্তর: প্রথম দিন'
14• কই পড়? লজ্জা কি? পড়, সবাই শুনি' কথাটি হল তপনের ________ এর।
উত্তর: মা
15• ________বেলায় চায়ের টেবিলে তপনের গল্প নিয়ে কথা উঠে।
উত্তর: বিকেল
জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর 2022
জ্ঞানচক্ষু গল্পের ঠিক/ ভুল নির্ণয় কর:
1• জ্ঞানচক্ষু গল্পের রচয়িতা হলেন লীলা মজুমদার।
উত্তর: ভুল
সঠিক উত্তর: আশাপূর্ণা দেবী।
2• তপনের ছোট মেসোমশাইয়ের চোখ মার্বেল হয়ে যায়।
উত্তর: ভুল
সঠিক উত্তর: তপনের
3• নতুন মেসোকে দেখে তপনের জ্ঞানচক্ষু খুলে যায়।
উত্তর: ঠিক
4• গল্পে উল্লেখ আছে বর্তমান পত্রিকার সম্পাদকের।
উত্তর: ভুল
সঠিক উত্তর: সন্ধ্যাতারা
5• তপনের নতুন মেসোমশাই খবরের কাগজ পড়তেন।
উত্তর: ঠিক
6• তপন মূলত মামার বাড়ি এসেছিল বিয়ে উপলক্ষে।
উত্তর: ঠিক
7• তপনের মেসোমশাই স্কুলের প্রফেসর।
উত্তর: ভুল
সঠিক উত্তর: কলেজের
8• তপনের অবাক হওয়ার কারণ ছিল তার গল্প ছাপা হয়নি বলে।
উত্তর: ভুল
9• জ্ঞানচক্ষু গল্পে শীত কালের উল্লেখ আছে।
উত্তর: ভুল
10• তপনের লেখা গল্পের নাম ছিল 'প্রথম দিন'
উত্তর: ঠিক
জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর SAQ
সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন উত্তর মান - 2
1. জ্ঞানচক্ষু গল্পটি কার লেখা? এর উৎস উল্লেখ কর।
উত্তর: জ্ঞানচক্ষু গল্পটি আশাপূর্ণা দেবীর লেখা, এবং এটির উৎস হল কুমকুম নামক ছোটদের গল্প থেকে।
2. তপনের নতুন মেসো মশাই তপনে এর মামার বাড়িতে অর্থাৎ তপনের মেসোমশাই এর শ্বশুরবাড়িতে এসে কেন রয়েছেন?
উত্তর: তপনের নতুন মেসোমশাই একজন কলেজের প্রফেসর। এই সময় তার কলেজের ছুটি থাকায় তিনি শ্বশুর বাড়িতে এসে রয়েছেন।
3. "তপনকে যেন আর কখনো না শুনতে হয়" -এখানে কি শোনার কথা বলা হয়েছে?
উত্তর: তপনকে যেন আর কখনো শুনতে না হয় যে অমুক তপনের লেখা পত্রিকা গিয়ে ছাপিয়ে দিয়েছে। বা অমুকের হাত থেকে তার গল্প ছাপানো হয়েছে।
4. তপন আর পড়তে পারে না তপনের না পড়ার কারণ কি?
উত্তর: যখন তপনের লেখা গল্পটি পত্রিকায় ছেপে বেরোলো তখন তপন পড়তে গিয়ে দেখল যে মেসোমশাই কারেকশনের নামে তার লেখাটা পুরোটাই পাল্টে দিয়েছেন। তাই তপন আর পড়তে পারে না।
5. তপনের লেখা সম্পর্কে তার বাবার ধারণা বা বক্তব্য কী?
উত্তর: তপনের বাবার ধারণা এই যে তপনের লেখক ছোটমেসো তপনের লেখাটা যদি কারেকশন করে না দিত। তাহলে এত সহজে সেই লেখাটি পত্রিকায় ছাপানো সম্ভব হতো না।
6. কোন কথা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গিয়েছিল?
উত্তর: তপনের ছোটমেসো যে একজন লেখক তা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গিয়েছিল।
7. তপনের ছোট মেসোমশাই খবরের কাগজ পড়তে পড়তে তা নিয়ে তর্ক করে শেষ পর্যন্ত "এদেশের কিছু হবে না", বলে কোথায় চলে যান?
উত্তর: সিনেমা দেখতে বা বেড়াতে চলে যান।
8. তপন মূলত মামার বাড়ি কি করতে এসেছিল?
উত্তর: বিয়ে বাড়ি উপলক্ষে তপন মূলত মামার বাড়িতে এসেছিল।
9. তপন তার ছোট মেসোমশাই কে দেখে প্রভাবিত হয়ে প্রথমে কি লিখে ফেলেছিল?
উত্তর: একটা গল্প লিখে ফেলেছিল।
10. গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠলো তপনের। গায়ে কাঁটা দেওয়ার কারণ কি?
উত্তর: নিজের লেখা গল্প পড়ে তপনের গায়ে কাঁটা দিয়ে উঠলো।
11. সাধারণত তপনের বয়সী ছেলেমেয়েরা কি ধরনের গল্প লেখে ?
উত্তর: না খেতে পেয়ে মরে যাওয়া, খুন- যখন ,এক্সিডেন্ট ,সুখ -দুঃখ এসব নিয়েই তপনের বয়সী ছেলেমেয়েরা গল্প লেখে।
12. বইটা ফেলে রেখে তপন কি করে?
উত্তর: বইটা ফেলে রেখে তপন ছাদে উঠে গিয়ে তার শার্টের তলাটা নিয়ে চোখের জল মুছে।
13. বোবার মত বসে থাকে কে ,কেন বোবার মত বসে থাকে?
উত্তর: তপন বোবার মত হয়ে বসে আছে, কারণ তার নিজের লেখা গল্প ছেপে বেরোনোর পর পড়তে গিয়ে দেখে যে মেসোমশাই কারেকশনের নামে গল্পটি আগাগরাই বদলে দিয়েছে। তাই সে বোবার মত বসে থাকে।
14. "সন্ধ্যাতারা" সূচিপত্রে কি লেখা ছিল?
উত্তর: "সন্ধ্যাতারা" সূচিপত্রে ছাপার হরফে লেখা ছিল 'প্রথম দিন' (গল্প) শ্রীতপন কুমার রায়।
15. সারা বাড়িতে শোরগোল পড়ে যায়। শোরগোল পড়ে যাওয়ার কারণ কি ছিল?
উত্তর: সারা বাড়িতে শোরগোল পড়ে যাওয়ার কারণ হলো তপনের লেখা গল্পটি পত্রিকায় ছাপানো হয়েছে তাই।
16. 'রত্নের মূল্য জোহুরির কাছেই'। -কথার অর্থ কি?
উত্তর: তপনের মাসির হইচইতে মনে মনে আনন্দিত হলেও, তার লেখার প্রকৃত মূল্য যদি কেউ বুঝতে পারে তো নতুন মেসোই বুঝবে কারণ রত্নের মূলত জহুরীর কাছেই।
17. "বিকেলে চায়ের টেবিলে উঠে কথাটা" - কোন কথা?
উত্তর: বিকেলে চায়ের টেবিলে উঠে কথাটি হল তপনের লেখা গল্পটি ছাপানোর কথা।
18. তপনের লেখা গল্প ছাপা হলে যে ভয়ংকর আহ্লাদ হবার কথা, সে আহ্লাদ খুঁজে পায় না কেন?
উত্তর: তপনের লেখা গল্প ছাপ হলে যে ভয়ংকর আহ্লাদ হবার কথা কারন তপন যখন গল্পটি পড়ে দেখে যে মেসোমশাই কারেকশনের নামে তার গল্পটি বদলে দিয়েছে। তখন সে আর আল্লাদ খুজে পায় না।
19. "আজ যেন তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন" - কেন?
উত্তর: আজ তার জীবনের দুঃখের দিন কারণ তার মেসোমশাই কারেকশনের নামে তার গল্পটা বদলে দিয়েছে। সে গল্পটি পড়ে কিছু বুঝতে পারছিল না, লজ্জায় সবার কাছ থেকে লুকিয়ে ছাদে উঠে গিয়ে শার্টের তলা দিয়ে চোখ মুছে এবং তখন মনে করে যে তার জীবনের সবচেয়ে দুঃখের দিন আজ।
20.নতুন মেসো কে দেখে তপন কি জেনেতে পেরেছিল?
উত্তর: নতুন মেসোকে দেখে তপন জানতে পেরেছিল যে মানুষ-ই গল্প লেখে অর্থাৎ লেখকরা যে অন্য কোন গ্রহে থেকে আসেনি। তারা আর পাঁচটা মানুষের মতোই সাধারণ হয়।
21. একটু কারেকশান করে ইয়ে করে দিলে ছাপাতে দেওয়া চলে। কে কি ছাপানোর কথা বলেছেন?
উত্তর - এখানে তপনের মেসোমশাই তপনের লেখা গল্প একটু কারেকশান করে ছাপিয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন।
22. "সূচিপত্রেও নাম রয়েছে" - সূচিপত্রে কি লেখা ছিল?
উত্তর: সূচিপত্রে ছাপার অক্ষরে লেখা ছিল প্রথম দিন (গল্প) শ্রী তপন কুমার রায়।
23. "কথাটি শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল"- কাকে দেখে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল?
উত্তর: তপনের নতুন মেসোমশাই কে দেখে । তিনি নাকি একজন লেখক, এই কথা শুনেই তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল।
জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রশ্ন উত্তর মান 5
জ্ঞানচক্ষু গল্পের রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর: ✍️
👉Q. কথাটা শুনে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল কেন তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল?
🗣️Ans. মেসোমশাই মানে যার সঙ্গে এই কদিন আগে তপনের ছোট মাসির বিয়ে হয়ে গেল দেদার ঘটাপটা করে সেই তিনি নাকি বই লেখক। সেই সব বই আবার ছাপাও হয় এমনকি অনেক বই ছাপা হয়েছে মেসোর। তার মানে তপনের নতুন মেসোমশাই একজন লেখক সত্যিকারের লেখক জলজ্যান্ত একজন লেখক। তাই জানতো না লেখকরা যে তপনের বাবা ছোটমামা বা মেজ কাকুর মত মানুষ এ বিষয়ে সন্দেহ ছিল তপনের কিন্তু নতুন মেসোকে দেখে জ্ঞানচক্ষু খুলে গেল তপনের। লেখক কে এত কাছ থেকে কখনো দেখেনি তপন। তাকে দেখে তপনের চোখ মার্বেল হয়ে গেল।
👉Q. "কিন্তু নতুন মেসোকে দেখে জ্ঞানচক্ষু খুলে গেল তপনের"- নতুন মেসোর পরিচয় দাও? তাকে দেখে তপনের জ্ঞানচক্ষু খুলে যাওয়ার কারণ কি? অথবা,
🗣️Ans. আশাপূর্ণা দেবীর লেখা জ্ঞানচক্ষু গল্পে তপনের ছোট মাসির দেদার ঘটাপাটা করে বিয়ে হওয়ার পর তপন জানতে পারলো যে তার ছোট মেসোমশাই হলেন একজন বড় মাপের লেখক এবং কলেজের প্রফেসরও এবং তার অনেক বইও ছাপা হয়েছে। তপনের কাছে লেখক মানে অন্য গ্রহের কোন মানুষ যারা নাকি ধরাছোঁয়ার বাইরে থাকে। তাদের চলাফেরা সাধারণ মানুষের মতো হয় না। কিন্তু তার এই ভুল ধারণা ভেঙে গিয়েছিল যখন সে জানতে পারে যে তার ছোট মেসোমশাই একজন লেখক। লেখক কে যে এত কাছ থেকে দেখা যায় তা সে জানতো না। তপন তার মেসোমশাইকে দেখে তার জ্ঞানচক্ষু খুলে গেল। এত কাছ থেকে সে লেখকে দেখে আশ্চর্য হয়ে গেল। কোথাও কোন উল্টোপাল্টা নেই খুবই সাধারণ তার চলাফেরা তপনের বাবা, ছোটকাকা বা মেজকাকুর মতই সাধারণ মানুষ। তিনি একেবারে নিছক প্রকৃতির মানুষ। তার বাবা কাকাদের মতই দাড়ি কামান, সিগারেট খান, খেতে বসে, সাধারণ মানুষের মতোই "না না আরে ব্যাস, এত কখনো খাওয়া যায়?" বলে তারপর অর্ধেক খাবার তুলেও দেন। সাধারণ মানুষের মতই চনের সময় চান করেন, খাওয়ার সময় খান এবং ঘুমের সময় ঘুমান তাছাড়া খবরের কাগজ পড়ার নেশাও আছে। এই খবরের কাগজ পড়ে সেটা নিয়ে অন্যদের সাথে গল্প এবং তর্ক-বিতর্ক করেন তারপর শেষ পর্যন্ত "এদেশের কিছু হবে না" বলে সেজেগুজে বেড়াতে যান বা সিনেমা দেখতে চলে যান। বিয়ে উপলক্ষে তপন মামার বাড়ি এসে এবং তার মেসোমশাইয়ের কলেজ ছুটি থাকায় তার এত বড় একজন লেখক কে এত সামনে থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে।
👉Q. জ্ঞানচক্ষু গল্প অবলম্বনে তপনের চরিত্রটি বিশ্লেষণ কর।
🗣️Ans. আশাপূর্ণা দেবীর জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রধান চরিত্র হলো তপন। অন্যান্য শিশুদের মতোই তপনের শৈশবকাল আনন্দে কাটে। তবে তার চরিত্রের কিছু বিশেষ দিক, তার কিছু চিন্তাধারা তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে তুলেছে। তপন তার মন মধ্যে সব সময় একটা কল্পনার জগত সাজিয়ে রাখতো। তার এই কল্পনার জগতে লেখকরা ছিল ভিনদেশী, অর্থাৎ তারা সাধারণ মানুষের মতো নয় , তাদের দেখা পাওয়া ভাগ্যের বিষয় । তপনের ছোটবেলা থেকেই সাহিত্যের প্রতি গভীর টান ছিল। সে অনেক গল্প শুনেছে,পড়েছে এবং কিছু ছোট ছোট গল্পও লিখেছে।তার ছোটবেলা থেকেই লেখকদের প্রতি একটা কৌতূহল ছিল কিন্তু ছোট মেসো কে দেখে তার অনেকটাই ভ্রম কেটে গিয়েছিল । এবং মেসোমশাই কে দেখে তপনের লেখক হওয়ার ইচ্ছা হয়েছিল। মেসোমশাই কে দেখে সে অনেক উৎসাহী হত এবং বেশ কয়েকটা গল্প লিখে ফেলে। বয়সের ওপর নির্ভর করে তপন একটু বেশি সংবেদনশীল। তার সমবয়সী অন্যান্য ছেলেমেয়েদের মত রাজা- রানী, খুন -যখম ও অ্যাক্সিডেন্ট ইত্যাদি বিষয়ের উপর না লিখে তার ব্যক্তিগত জীবনের অভিজ্ঞতা ও অনুভূতি সম্পর্কে বা প্রতিটি দিনের কাজ থেকে কি কি শিখেছে তা নিয়ে গল্প লেখে। এবং তা নিয়ে বাড়ির লোকের ঠাট্টা -তামাশা বা মেসো -মাসির উৎসাহ প্রদান - কোনোটাতেই তার কোন প্রতিক্রিয়া দেখা যেত না। এটা তপনের ভিতরের পরিচয়। তাই কারেকশনের নামে মেসো তার গল্পটা আগাগোড়া বদলে দিলে, তপন তার কষ্ট এবং লজ্জা লুকাতে ছাদে গিয়ে কাঁদে। তপনের আত্মমর্যাদা ছিল অন্যান্যদের তুলনায় অনেকটাই বেশি। তার এই গল্প মেসোমশাই কারেকশন করে দিলে তা তার আত্মসম্মানে লাগে, তখন তপন মনে মনে শপথ নেই ভবিষ্যতে লেখা ছাপাতে হলে তা সে নিজে গিয়ে পত্রিকা অফিসে দিয়ে আসবে। অন্য কারোর সাহায্যে নেবে না। তাতে যদি তার মত নতুন লেখকের গল্প না ছাপানো হয় তাতে তার কোন দুঃখ থাকবে না।
***
👉Q. পৃথিবীতে এমন অলৌকিক ঘটনাও ঘটে কোন ঘটনাকে অলৌকিক বলা হয়েছে? একে অলৌকিক বলার কারণ কি?
🗣️Ans. অলৌকিক ঘটনা: বাঙালি সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবীর গল্প জ্ঞানচক্ষুর মধ্যে এক অন্যতম প্রধান চরিত্র হল তপন । এই বিশাল পৃথিবীতে সাধারণ পরিবারে সাধারণভাবে বা আর অন্য-পাঁচটা শিশুর মতই সেও জীবন যাপন করে । তপন তার নতুন লেখক মেসোমশাইয়ের দ্বারা তার প্রতিভাকে বিকশিত করে। তপন তার কম বয়সী চিন্তা ভাবনা থেকে লিখে ফেলে একটা আস্ত গল্প । সেই গল্পটি মেসোর হাতে গেলে মেশো তপনের ও বাড়ির অন্যান্যদের মন রাখার উদ্দেশ্যে তপনের লেখা গল্পটির সামান্য কারেকশন করে "সন্ধ্যাতারা" পত্রিকায় ছাপিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। এর বেশ কয়েকদিন পর "সন্ধ্যাতারা" পত্রিকায় গল্পটি ছেপে বেরোয়। তপনের কাছে তার এই লেখা গল্পটি ছেপে বেরোনোর ঘটনাটি হলো একটি চমকপ্রদ ঘটনা বা অলৌকিক বলে মনে হয়েছিল।
⚫ অলৌকিক শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো মানুষের পক্ষে যা সম্ভব নয় বা এই পৃথিবীতে যা সচরাচর ঘটে না
অলৌকিক বলার কারণ:
অলৌকিক বলার কারণ হলো ছোট তপনের লেখা গল্পটি এত অনায়াসে সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়ে যাবে সেটাই তপনের কাছে অলৌকিক। আসলে তপনের লেখক সম্পর্কে ধারণা অনেক উচ্চমানের। তপনের গল্প লেখা তা মেসোর হাত ধরে পত্রিকায় ছাপা প্রভৃতি ঘটনা গুলি তার কাছে এতটাই অবিশ্বাস্য যে, তার মনে হয়েছিল সমস্ত ঘটনাটি যেন অলৌকিক।
***
👉Q. "জ্ঞানচক্ষু" গল্পের জ্ঞানচক্ষু বলতে কী বোঝানো হয়েছে?
🗣️Ans. বাঙালি সাহিত্যিক আশাপূর্ণা দেবীর লেখা গল্প জ্ঞানচক্ষু ।তিনি জ্ঞানচক্ষু বলতে মানুষের আত্মঅনুভূতি এবং অন্তর্দৃষ্টি লাভের বিষয়টিকে তুলে ধরেছেন।
>>>>>পাঠক্রম অনুযায়ী জ্ঞানচক্ষু গল্পটির প্রধান চরিত্র বা নায়ক হলো তপন। ছোট তপন তার এই ছোট্ট জীবনকালে কখনো কোন দিন নিজের চোখে লেখক কে দেখেনি। তাই সে নতুন লেখক তার মেসো কে দেখে লেখক সম্পর্কে তার সমস্ত ভুল ধারণা ভেঙ্গে গেল। লেখক মেসোকে এত কাছে থেকে থেকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে সে নিজেই একটা আস্ত গল্প লিখে ফেলল। তারপর মাসির সাহায্যে সেই গল্পটি পত্রিকার প্রকাশিত হয়। তপন মনে মনে অনেক আনন্দিত হয় এবং নিজের উপর বেশ গর্ব অনুভব করে। কিন্তু যখন তপনের লেখা গল্পটি প্রকাশিত হলো তখন তপন গল্পটি পড়ে দেখে যে মেসোমশাই সামান্য কারেকশনের নামে আগাগোড়া সমস্ত গল্পটাই বদলে দিয়েছে। তপন যে গল্পটি নিজে লিখেছিল কিছুদিন আগে, সে পড়ে বুঝতে পারল যে গল্পটা পুরো বদলে দিয়েছে তার মেসো। এর ফলে তপনের মনে আঘাত আসে, সে দুঃখে, লজ্জায়, অসম্মানে সবার কাছ থেকে লুকিয়ে ছাদে গিয়ে নিজের জামার একটা কোন দিয়ে চোখ মোছে। তারপর সে ঠিক করে যে আর কোনদিন কারোর হাত থেকে যেন তার গল্প না ছাপে। সে নিজেই পত্রিকা অফিসে গিয়ে তার গল্প ছাপানোর কথা বলবে, কিন্তু অন্যের দ্বারা নিজের গল্প ছাপাবে না। এটাই তপন মনে মনে শপথ নেয়।
***
👉Q. 'এর প্রত্যেকটি লাইন নেই তো নতুন আনকোরা, তপনের অপরিচিত'- 'এর' বলতে কিসের কথা বলা হয়েছে ? বিষয়টি সম্পর্কে আলোচনা কর।
🗣️Ans. আশাপূর্ণা দেবীর লেখা 'জ্ঞানচক্ষু' গল্প থেকে লাইনটি নেওয়া হয়েছে। এখানে 'এর' বলতে গল্পের প্রধান চরিত্র তপন, তার লেখা 'প্রথম দিন' গল্পটির কথা বলা হয়েছে।
>>> এই গল্পের প্রধান চরিত্র হলো তপন। তপন ছোটবেলা থেকেই ভাবতো লেখকরা বুঝি অন্য জগতের লোক, তারা সাধারণ মানুষের মতো নয়। কিন্তু ছোট মাসির বিয়ের পর তার ছোট মেসোকে দেখে অর্থাৎ যখন সে জানতে পারল যে তার ছোট মেসো একজন লেখক। তখন তার ভুল ধারণা ভেঙে গেল। সে জানতে পেরেছিল তার নতুন মেসো বই লেখে আবার সেগুলো ছাপায়ও।অথচ মেসোর আচার-আচরণের সঙ্গে তার বাবা, ছোট কাকা বা মেজ কাকুর আচার-আচরণের কোন পার্থক্য ছিল না। তখন তপন বুঝতে পারলো যে লেখকরা অন্য গ্রহের কোন মানুষ নয় তারা আমাদের পাঁচটা সাধারন মানুষের মতোই হয়। এবং মেসোকে দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে তপন নিজেই একটা আস্ত গল্প লিখে ফেলে। যেটা তার মাসির হাত থেকে মেসোর হাতে পৌঁছায় এবং মাসির পিরাপিরিতে সামান্য কারেকশন করে সে গল্পটি সন্ধ্যাতারা পত্রিকায় ছাপিয়ে দেয় নতুন মেসো। বাড়িতে সে নিয়ে আনন্দের আর শেষ নেই, কিন্তু তপন সকলের অনুরোধে গল্পটা যখন পড়তে শুরু করে তখন সে দেখে যে তার ছোট মেসো কারেকশনের নামে গল্পেটির আগাগোড়াটাই বদলে দিয়েছেন গল্পের প্রত্যেকটি লাইনই তার কাছে নতুন লাগছিল, তখন সে কান্নায় ভেঙে পড়ে।
***
✴️FAQ✴️
1. তপনের লেখা গল্পের নাম কি?
উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর লেখা জ্ঞানচক্ষু গল্পের প্রধান চরিত্র হলো তপন। তার লেখা গল্পের নাম হলো প্রথম দিন।
2. তপনের গল্প পড়ে ছোট মাসি কি বলেছিল?
উত্তর: তপনের ছোট মাসি তপনের গল্পটি পড়ে তাকে প্রশংসা করেছিল, এবং তাকে জিজ্ঞেস করেছিল সে কোথাও থেকে গল্পটি নকল করে লেখেনি তো।
3. জ্ঞানচক্ষু গল্পটার আক্ষরিক অর্থ কি?
উত্তর: জ্ঞানচক্ষু কথার অর্থ হলো অন্তর্দৃষ্টি বা চেতনার জাগরণ হওয়া।
4. ছোট মাসি আত্মপ্রসাদের প্রসন্নতা নিয়ে বসে বসে কি খেয়েছিল তপন?
উত্তর: ডিম ভাজা আর চা।
5. ছোট মাসি তপনের থেকে কত বছরের বড়?
উত্তর: আশাপূর্ণা দেবীর লেখা 'জ্ঞানচক্ষু' গল্পে ছোট মাসি তপনের থেকে আট বছরের বড়।
6. জ্ঞানচক্ষু গল্পটি কার লেখা?
উত্তর: জ্ঞানচক্ষু গল্পটি আশাপূর্ণা দেবীর লেখা।
7. তপনের গল্প কোন পত্রিকা অফিসে গিয়ে ছাপানো হয়েছিল?
উত্তর: তপনের গল্প 'সন্ধ্যাতারা' পত্রিকা অফিসে গিয়ে ছাপানো হয়েছিল।
8. জ্ঞানচক্ষু গল্পে কি বোঝাতে চেয়েছেন?
উত্তর: জ্ঞানচক্ষু গল্পটির লেখিকা কথাশিল্পী আশাপূর্ণা দেবী তিনি জ্ঞানচক্ষু গল্পে বোঝাতে চেয়েছেন যে অন্তদৃষ্টি বা চেতনার জাগরণ হওয়া বিষয়টি তুলে ধরেছেন।
9. জ্ঞানচক্ষু গল্পের উৎস কি?
উত্তর জ্ঞানচক্ষু গল্পটির উৎস - কুমকুম নামক ছোটদের গল্প সংকলন থেকে নেওয়া।

মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন
Comment form message